বাংলা ১ম পত্র — যাব আমি তোমার দেশে · বহুনির্বাচনি প্রশ্ন

নাম: ________________________ রোল: __________ তারিখ: __________

  1. কবি জসীমউদ্দীন কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?

    ক. ১৯০৩ সালেখ. ১৯০৪ সালেগ. ১৯০৫ সালেঘ. ১৯০৬ সালে
  2. কবি জসীমউদ্দীন কোন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন?

    ক. দৌলতপুরখ. মনোহরপুরগ. চুরুলিয়াঘ. তাম্বুলখানা
  3. কবিতায় বাংলাদেশের পল্লিপ্রকৃতি ও মানুষের সহজ স্বাভাবিক রূপটি বিশেষভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন কোন কবি?

    ক. রফিক আজাদখ. নির্মলেন্দু গুণগ. শামসুর রাহমানঘ. জসীমউদ্দীন
  4. পল্লিকবি জসীমউদ্দীনের জন্মস্থান কোথায়?

    ক. যশোর জেলায়খ. ফরিদপুর জেলায়গ. মাদারীপুর জেলায়ঘ. রংপুর জেলায়
  5. জসীমউদ্দীনকে কী কবি বলা হয়?

    ক. বিদ্রোহী কবিখ. বিশ্বকবিগ. পল্লিকবিঘ. তিমির হননের কবি
  6. কবি জসীমউদ্দীনের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থের নাম কী?

    ক. চলে মুসাফিরখ. যে দেশে মানুষ বড়োগ. রাশিয়ার পথেঘ. জীবনকথা
  7. কোন বিষয়ে পল্লিকবি জসীমউদ্দীন এমএ পাস করেন?

    ক. ইংরেজি সাহিত্যেখ. বাংলা সাহিত্যেগ. পদার্থবিদ্যায়ঘ. অর্থনীতি বিষয়ে
  8. কবি জসীমউদ্দীন কিছুকাল কোথায় অধ্যাপনা করেন?

    ক. কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়েখ. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েগ. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েঘ. রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে
  9. কবি জসীমউদ্দীনের 'কবর' কবিতা রচিত হয় কখন?

    ক. বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালেখ. চাকরিরত অবস্থায়গ. গ্রামে থাকাকালীনঘ. রাশিয়া ভ্রমণকালে
  10. কবি জসীমউদ্দীন কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?

    ক. ১৯৮০ সালেখ. ১৯৭৬ সালেগ. ১৯৬০ সালেঘ. ১৯৭২ সালে
  11. 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় বর্ণিত কোন ফুলের জলের ছিটায় গায়ের বরন রঙিন হবে?

    ক. শাপলাখ. কদমগ. হিজলঘ. রক্তকমল
  12. চলতে পথে উত্তরীয় জড়িয়ে যাবে-

    ক. ফুলের বনেখ. বেতস লতায়গ. বনের ঝোঁপেঘ. ময়না কাঁটায়
  13. শাপলা লতায় পা জড়িয়ে কবি কী করবেন?

    ক. ঢেউয়ের তালে দোল খাবেনখ. সাঁতার কাটবেনগ. ঢেউয়ের শব্দ গুনবেনঘ. পদ্ম ফুলের ঘ্রাণ নেবেন
  14. 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার কবি কোথায় সাঁতার কেটে রক্তকমল তুলে আনবেন?

    ক. হিজল ঝরা জলেখ. ধল-দিঘিতেগ. বিলের পানিতেঘ. পদ্ম-পুকুরে
  15. কাকে কবি বিয়ের কনে মনে করবেন?

    ক. ঘাটে আসা পল্লিবালাকেখ. অজানা ফুলকেগ. বিলের পদ্মফুলকেঘ. ডাহুক মেয়েকে
  16. 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবির গায়ের বরণ কীসে রঙিন হবে?

    ক. হিজল ঝরা জলেখ. নাম না জানা ফুলেগ. শাপলা লতায়ঘ. অজানা ফুলের রূপে
  17. 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় ডাহুক কোথায় ডাকে?

    ক. দিঘির পাড়েখ. ফুলের বনেগ. বনের ঝোপেঘ. বেতস কেয়ার বনে
  18. কবি কীসের সাথে জড়িয়ে দোল খেতে চান?

    ক. বেতস লতার সাথেখ. শাপলা লতার সাথেগ. অজানা ফুলের সাথেঘ. ঝুলন লতার সাথে
  19. বেতস কেয়ার বনে আসর মাতায়-

    ক. কদম ফুলখ. ডাহুকগ. কেয়া ফুলঘ. রক্তকমল
  20. 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি তাঁর বন্ধুকে নিয়ে কোথায় বসে থাকবেন বলেছেন?

    ক. বেতস কেয়ার বনেখ. ঢেউ দোলানো দিঘির কোলেগ. ধান-কাউনের খেতেঘ. শিমুলডাঙ্গার বনে
  21. কবি ঘাটে কী রেখে আসবেন?

    ক. ফুলের মালাখ. বনফুলগ. রক্তকমলঘ. বেতস লতা
  22. 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি 'উদাস বেশে' বলতে কী বুঝিয়েছেন?

    ক. আনমনেখ. এলোকেশেগ. বিচলিতভাবেঘ. ঘুম-ঘুমায়ে
  23. 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কোন ফুলের সুবাস বাতাসে ভেসে আসার কথা বলা হয়েছে?

    ক. হিজলখ. কদমকলিগ. রক্তকমলঘ. নাম না-জানা ফুল
  24. 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় পল্লি-দুলাল বলা হয়েছে

    ক. পল্লিমায়ের আদরের ছেলেকেখ. গ্রাম্য বালককেগ. গাঁয়ের দুরন্ত ছেলেকেঘ. পল্লির কৃষককে
  25. পল্লি-দুলালের কাঁধে হাত রেখে কবি কীভাবে ফিরবেন?

    ক. উদাস বেশেখ. আনন্দিত মনেগ. দুষ্টুমি করতে করতেঘ. ঘুম ঢুলু ঢুলু চোখে
  26. পল্লির অকৃত্রিম প্রাকৃতিক পরিবেশে যে ছেলে মানুষ হয়েছে, কবি তাকে কী হিসেবে সম্বোধন করেছেন?

    ক. পল্লি-দুলালখ. পল্লিমায়ের আদরের ছেলেগ. দুরন্ত ছেলেঘ. গাঁয়ের যত্নে লালিত ছেলে
  27. কবি দলবেঁধে হেথায় সেথায় খেলা করবেন-

    ক. পাড়ার দস্যি ছেলেদের সাথেখ. পল্লি-দুলালের সাথেগ. গরিব চাষার সাথেঘ. ডাহুক মেয়ের সাথে
  28. সরু সুতার মতো দীর্ঘ বাঁকা পথ চলে গেছে-

    ক. ধান-কাউনের খেতের ভেতর দিয়েখ. বেতস বনের ভেতর দিয়েগ. ধল-দিঘির পাড় ঘেঁষেঘ. ফুলের বনের ভেতর দিয়ে
  29. 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় 'পল্লিবালা' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?

    ক. গ্রাম্য মেয়েকেখ. হাবা মেয়েকেগ. গ্রাম্য বধূকেঘ. পল্লিজননীকে
  30. গাঁয়ের মেয়ে কীভাবে হাঁটে?

    ক. কদমকলি ছড়িয়েখ. গল্পগুজব করতে করতেগ. সারিবদ্ধভাবেঘ. পল্লিবালাদের পথ ধরে
  31. কবি কোথায় হাত রেখে উদাস বেশে ফিরতে চান?

    ক. পল্লি-দুলালের কাঁধেখ. দুরন্ত ছেলেদের কাঁধেগ. ডাহুক মেয়ের কাঁধেঘ. গাঁয়ের লোকদের কাঁধে
  32. ধল-দিঘির ঘাটে পানির কলস তরে-

    ক. ডাহুক মেয়েখ. পল্লিবালাগ. পল্লি-দুলালঘ. দস্যি ছেলে
  33. 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি ভাব করবেন-

    ক. শাখীর সাথেখ. পল্লিবালার সাথেগ. ডাহুকের সাথেঘ. পল্লি-দুলালের সাথে
  34. বনের শীর্ষে ও দিকহারা মাঠের চরণ ঘেঁষে কী রয়েছে?

    ক. গাঁয়ের আকাশখ. গাঁয়ের মাঠগ. মেঘ কন্যার দেশঘ. অজান ফুলের বন
  35. 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি গ্রামে যেতে চান-

    ক. শিমুল ডাঙার মাঠ পেরিয়েখ. গাজন তলীর মাঠ পেরিয়েগ. ময়না কাঁটার মাঠ পেরিয়েঘ. বেতস বনের ভেতর দিয়ে
  36. 'পল্লি-দুলাল, ভাই গো আমার যাব আমি তোমার দেশে'-চরণটি কোন কবিতার অন্তর্গত?

    ক. জয়যাত্রাখ. পল্লিবর্ষাগ. বাংলা আমারঘ. যাব আমি তোমার দেশে
  37. 'পাড়ার যত দস্যি ছেলে'- এখানে 'দস্যি ছেলে' বলতে কাকে বুঝিয়েছেন?

    ক. পল্লি-দুলালকেখ. ডাহুক মেয়েকেগ. গ্রামের দুরন্ত ছেলেকেঘ. ময়না কাঁটার লতাকে
  38. 'দূর দেশীয়া মেঘ কনেরা মাথায় সয়ে জলের ঝারি'-এখানে 'জলের ঝারি' বলতে বোঝানো হয়েছে-

    ক. মেঘ বৃষ্টিকেখ. ফুলের সমাহারকেগ. গজলের কলসকেঘ. মেয়েদের কান্নাকাটিকে
  39. "মামার বাড়ি পদ্ম পুকুর গলায় গলায় জল, এপার থেকে ওপারেতে নাচে ঢেউয়ের দল।" -উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ চরণ কোনটি?

    ক. দিঘির জলে ঢেউ গণিবে ফুল শুঁকিবে পদ্ম-পাতারখ. চলতে পথে ময়না কাঁটায় উত্তরীয় জড়িয়ে যাবেগ. গাছের শাখা দুলিয়ে আমি পাড়ব সে ফুল মনের আশেঘ. চার ধারেতে বন জুড়িয়া রাতের আঁধার বাঁধবে বেড়া
  40. শিক্ষাসফরে মাধবকুন্ড যেতে অনেক গ্রাম পেরিয়ে, অনেক বাঁকা পথ ডিঙিয়ে ছোটো-বড়ো চা-বাগান শেষে পাহাড়ের গা বেয়ে অঝোরে পানি ঝরছে। এ দৃশ্য শিক্ষার্থীদের বিস্মিত করল। উদ্দীপকে বর্ণিত গ্রামের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার পঙ্ক্তি-

    ক. দূর দেশীয়া মেঘ-কনেরা মাথায় লয়ে জলের ঝারিখ. পল্লি-দুলাল, ভাইগো আমার যাব আমি-তোমার দেশেগ. তোমার দেশে যাব আমি, দিঘল বাঁকা পন্থখানিঘ. বেতস কেয়ার বনে যেথায় ডাহুক মেয়ে আসর মাতায়
  41. সবুজ এই প্রথম গ্রামে এসেছে। তার চাচাত ভাই ফারুককে সাথে নিয়ে ঘুরতে বের হতেই তার কানে ভেসে এল নানারকম পাখির কলরব। উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার পঙ্ক্তি কোনটি?

    ক. পল্লি-দুলাল, ভাইগো আমার যাব আমি তোমার দেশেখ. দূর দেশীয়া মেঘ-কনেরা মাথায় লয়ে জলের ঝারিগ. তাহার পরে মুঠি মুঠি ছড়িয়ে কদমকলিঘ. বেতস কেয়ার বনে যেথায় ডাহুক মেয়ে আসর মাতায়
  42. গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে ত্রিশাল নদী। সেখানেই সাঁতার, খেলাধুলা করে শাকিবের দিন কেটেছে। আজ তিনি কৈশোর পেরিয়ে বার্ধক্যে উপনীত হলেও সেই নদীর স্মৃতি ভুলতে পারেন না। উদ্দীপকে বর্ণিত ত্রিশাল নদীর সাথে 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার কোনটির তুলনা চলে?

    ক. ধল-দিঘিখ. হিজল ঝরা পানিগ. ধান কাউনের খেতঘ. বেতস কেয়ার বন
  43. লইক্ষাছড়ির ইকোপার্কে প্রাণিবৈচিত্র্য দেখতে পৌছেছেন একদল দর্শনার্থী। নানা রকম পাখির কলগানে স্থানটি মুখর ছিল। উদ্দীপকে বর্ণিত পার্কের সাথে 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় বর্ণিত কোনটির সাদৃশ্য রয়েছে?

    ক. ধান-কাউনের খেতখ. বেতস কেয়ার বনগ. শিমুলডাঙ্গার বনঘ. হিজল বন
  44. রহিমা এম.এ. পাশ করা আধুনিক ও শিক্ষিতা একজন নরী। কিন্তু এ নিয়ে তার কোনো আত্ম-অহঙ্কার নেই। অতি সরল জীবনযাপন করে সে। রহিমার সরলতার সাথে 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার কোনটি মিল রয়েছে?

    ক. পল্লি-দুলালখ. মেঘ কনেগ. হাবা মেয়েঘ. জলের ঝারি
  45. অনেক দিন পর গ্রামে ফিরেছেন সাজাহান। সকালে নামায শেষে তিনি বাগানের দিকে যাচ্ছিলেন। দেখলেন আমের মুকুলে ম-ম করছে চারদিক। উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার পঙ্ক্তি কোনটি?

    ক. অজান ফুলের রূপ দেখিয়া মানব তারে বিয়ের কনেখ. বেতস কেয়ার বনে যেথায় ডাহুক মেয়ে আসর মাতায়গ. উত্তরীয় ছড়িয়ে তুমি দাঁড়িয়ে থেকো বনের পাশেঘ. চলতে পথে ময়না কাঁটায় উত্তরীয় জড়িয়ে যাবে
  46. শাহরিয়ার শহরে তার মামার বাসায় বেড়াতে গেছে। সেখানে সে তার মামাতো ভাই-বোনদের সাথে মধুর সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। উদ্দীপকে বর্ণিত সম্পর্ককে 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কী বলা হয়েছে?

    ক. হাবা মেয়েখ. ফুলের শোভাগ. শাখীর সনেঘ. পল্লিবালা
  47. সালাম বন্ধুদের সাথে হই-হুল্লোড় করে বনে-জঙ্গলে ঘুরে বেড়ায়। পাখির বাচ্চা ধরে, ফুল তোলে ও খেলাধুলা সেরে বাড়ি ফেরে। সালামের আচরণ 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার কোন চরণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ?

    ক. তাদের সাথে দল বাঁধিয়া হেথায়-সেথায় ফিরব খেলেখ. কোথাও গাঁয়ের রোদ মাখিয়া ঘুম ঘুমায়ে গাছের ছায়েগ. ধান কাউনের খেতের ভিতর সরু সুতার আঁচড় টানিঘ. চার ধারেতে বন জুড়িয়া রাতের আঁধার বাঁধবে বেড়া
  48. দীর্ঘদিন পর ভরা বর্ষায় গ্রামে এসেছে সাজিদ। বিলের মাঝে ফুটে থাকা শাপলা ফুলগুলো তাকে ছেলেবেলার কথা মনে করিয়ে দেয়। এগুলো যেন তাকে হাতছানি দিয়ে ডাকে। অনুচ্ছেদটি নিচের কোন চরণে প্রকাশিত হয়েছে?

    ক. পল্লি-দুলাল ভাইগো আমার, যাব সেথায়খ. তোমার দেশে যাব আমি, দিঘল বাঁকা পান্থখানিগ. শাপলা লতায় জড়িয়ে চরণ ঢেউয়ের সাথে খাব যে দোলঘ. হিজল-ঝরা বনের ছিটায় গাঁয়ের বরণ রঙিন হবে
  49. পরীক্ষা শেষে কয়েকজন শিক্ষার্থী চা বাগানে বেড়াতে যায়। সবুজের সমারোহে মন ভরে যায় তাদের। একসময় সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে অন্ধকার ঘনিয়ে আসতে থাকে। চা বাগানে সন্ধ্যা নামার সেই দৃশ্যটি ছিল মনোমুগ্ধকর। অনুচ্ছেদের ঘটনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ উক্তি হচ্ছে-

    ক. ডাকব সেথা পাখির ডাকে ভাব কবির শাখীর সনেখ. চলতে পথে ময়না কাঁটায় উত্তরীয় জড়িয়ে যাবেগ. ফুল ফুটেছে হাজার রঙের মেঘ তুলিকার নিখুঁত টানেঘ. বনের পাতার ফাঁকে ফাঁকে দেখব মোরা সাঁঝ-বাগানে
  50. যৌবনের প্রতীকের মতো অসংখ্য নৌকার পালে গতির প্রবাহ হানে, মাটির কলসে জল ভরে, ঘরে ফিরে সলিমের বউ তার ভিজে দুটি পায়। অনুচ্ছেদের ভাবার্থ প্রকাশ পেয়েছে 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার যে পঙ্ক্তিতে-

    ক. গিয়াছে সে হাবা মেয়ের এলো মাথার সিঁথির মতখ. কোথাও গাঁয়ের রোদ মাখিয়া ঘুম-ঘুমায় গাছের ছায়েগ. সে ঘাটেতে ভরবে কলস গাঁয়ের বিভোল পল্লিবালাঘ. সে ঘাটেরি এক ধারেতে আসব রেখে ফুলের মালা