সপ্তম শ্রেণির Dialogue লেখার নিয়ম — নমুনাসহ সহজ কাঠামো

Dialogue মানে দুজন মানুষের কথোপকথন। তুমি প্রতিদিন বন্ধুর সাথে যেভাবে কথা বলো, ঠিক সেভাবেই — শুধু ইংরেজিতে আর লিখিত আকারে।

এটা প্যারাগ্রাফের চেয়ে সহজ, কারণ এখানে বড় বাক্য লাগে না। ছোট ছোট প্রশ্ন আর উত্তর হলেই চলে।

লেখার নিয়ম

Dialogue লেখার একটা নির্দিষ্ট চেহারা আছে। এটা না মানলে উত্তর ঠিক হলেও নম্বর কাটা যায়।

প্রথমে নাম, তারপর কোলন (:), তারপর কথা।

প্রত্যেকের কথা আলাদা লাইনে লিখবে। দুজনের কথা একসাথে এক জায়গায় লিখলে পড়ে বোঝা যায় না কে কী বলছে।

উদ্ধরণ চিহ্ন (“ ”) লাগবে না। গল্পে লাগে, ডায়লগে লাগে না।

তিনটি অংশ

শুরু — সম্ভাষণ। Good morning, How are you — এরকম কিছু দিয়ে শুরু করো।

মাঝ — আসল বিষয়। এখানেই প্রশ্ন আর উত্তর চলবে। বেশিরভাগ লাইন এখানে।

শেষ — বিদায় বা ধন্যবাদ দিয়ে শেষ করো।

একটা নমুনা দেখো

A dialogue between two friends about their new school library

Rafi : Good morning, Nabila. Where are you going with those books?

Nabila : Good morning, Rafi. I am going to our new school library.

Rafi : A new library? When did it open?

Nabila : It opened last week. Our headmaster opened it himself.

Rafi : How many books are there?

Nabila : About two thousand. There are story books, science books, biographies and dictionaries.

Rafi : Can we take the books home?

Nabila : Yes, we can. But we must return them within seven days.

Rafi : Do we need a card for that?

Nabila : Yes. The librarian will give you one if you show your class roll number.

Rafi : That is very good news. I have wanted to read story books for a long time.

Nabila : Then come with me now. The library stays open till four in the afternoon.

Rafi : Thank you, Nabila. Let us go together.

নমুনাটা লক্ষ্য করো

প্রথম দুই লাইনে সম্ভাষণ হয়েছে। মাঝের লাইনগুলোতে লাইব্রেরি নিয়ে প্রশ্ন-উত্তর। শেষ দুই লাইনে একসাথে যাওয়ার কথা বলে শেষ।

আরেকটা জিনিস খেয়াল করো — দুজনেই কথা বলছে। রাফি শুধু প্রশ্ন করছে না, নাবিলাও শুধু উত্তর দিচ্ছে না। দুজনেই বলছে, দুজনেই শুনছে। ভালো ডায়লগ এমনই হয়।

আর প্রতিটা উত্তরে নতুন তথ্য আছে — কবে খুলেছে, কতগুলো বই, কতদিন রাখা যায়, কার্ড লাগে কিনা, কখন পর্যন্ত খোলা থাকে। শুধু “হ্যাঁ” বা “না” দিয়ে উত্তর দিলে লাইন বাড়ে, কিন্তু কথা এগোয় না।

কত বড় লিখবে

সপ্তম শ্রেণিতে ১৩০ থেকে ১৫০ শব্দ। উপরের নমুনাটা প্রায় ১৪০ শব্দের, লাইন সংখ্যা ১৩টা।

মোটামুটি হিসাব — দুজনের ৬ থেকে ৭টা করে কথা হলে শব্দসংখ্যা ঠিকঠাক হয়ে যায়। প্রতিটা লাইন যদি খুব ছোট হয়, তাহলে লাইন বাড়াতে হবে; আর লাইন বড় হলে কম লাইনেই চলবে।

যেসব ভুল সবচেয়ে বেশি হয়

সব কথা এক জায়গায় লেখা। এটাই সবচেয়ে বড় ভুল। প্রত্যেকের কথা আলাদা লাইনে না লিখলে পুরো ডায়লগটাই এলোমেলো দেখায়।

একজন শুধু প্রশ্ন করছে, আরেকজন শুধু হ্যাঁ-না বলছে। তাহলে সেটা আর কথোপকথন থাকে না, জিজ্ঞাসাবাদ হয়ে যায়। দুজনকেই কিছু না কিছু বলতে দাও।

সম্ভাষণ বাদ দেওয়া। হুট করে বিষয়ে ঢুকে পড়া যায় না। এক লাইনের greeting দিয়ে শুরু করো।

শেষ না করা। কথা বলতে বলতে হঠাৎ থেমে যাওয়া চলবে না। বিদায় নিয়ে শেষ করো।

নামের পর কোলনের বদলে ড্যাশ দেওয়া। ছোট ভুল, কিন্তু নিয়ম কোলনেরই।

এখন নিজে চেষ্টা করো

এই বিষয়টা নিয়ে একটা ডায়লগ লেখো — A dialogue between two friends about a school picnic। ১৩০ থেকে ১৫০ শব্দে।

শুরুতে সম্ভাষণ দাও। মাঝে জিজ্ঞেস করো কোথায় যাবে, কবে যাবে, কারা যাবে, খরচ কত, কী কী নিতে হবে। শেষে একসাথে যাওয়ার কথা বলে শেষ করো।

লেখা হয়ে গেলে একবার জোরে পড়ো, দুজনের কথা দুই রকম গলায়। কোথাও যদি মনে হয় কেউ এভাবে কথা বলে না — ওই লাইনটা বদলে দাও।

Leave a Reply

Discover more from BDAcademic

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading