অধ্যায় ১: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত — ১.৩.৩ ইন্টারনেট অব থিংস্‌ (Internet of Things-IoT)

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি · HSC | টেক্সটবুক

Practiceটেক্সটবুক ভিত্তিক পড়াশোনা

🔗 ২২. ১.৩.৩ ইন্টারনেট অব থিংস্‌ (Internet of Things-IoT)

https://bdacademic.com/prep/hsc/text/ict/%E0%A6%85%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A7%A7-%E0%A6%A4%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%93-%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC-%E0%A6%93-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%A4/%E0%A7%A7%E0%A7%A9%E0%A7%A9-%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%9F-%E0%A6%85%E0%A6%AC-%E0%A6%A5%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D-internet-of-things-iot/

ইন্টারনেট অব থিংস (Internet of Things) কে সংক্ষেপে আইওটি (lot) বলা হয়, যার অর্থ বিভিন্ন ডিভাইসের সাথে ইন্টারনেটের সংযোগ। বিভিন্ন প্রয়োজনীয় যন্ত্র বা ডিভাইসকে অটোমেটিক করার জন্য এসবের মধ্যে ছোট কম্পিউটার সিস্টেম AYE থাকে, যার সাথে ইন্টারনেটের সংযোগ দিলে তাকে ইন্টারনেট সংযোজিত জিনিসপত্র বা আইওটি বলা হয়। উদাহরণ হিসাবে বলা যায় আমাদের ঘরের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন টিভি, ফ্রিজ, লাইট, ফ্যান ইত্যাদি ইন্টারনেটের এর সাথে AYE থাকলে যে কোনো স্থান থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে এগুলো নিয়ন্ত্রণ, ব্যবহার ইত্যাদিসহ যে কোনো ধরনের কাজ করা যায়। এর ফলে সময় বাঁচে, দক্ষ ও কার্যকরভাবে কাজ সম্পন্ন করা যায়, ব্যয় সাশ্রয় হয়। সাম্প্রতিক সময়ে “ইন্টারনেট অব lor বা 'আইওটি' নিয়ে বিশ্বব্যাপী ব্যাপক আলোচনা চলছে। 5G নেটওয়ার্ক প্রচলিত হওয়ার কারণে FS এবং আরও নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সংযোগ চালু হচ্ছে, রিয়েল-টাইম ডেটা প্রসেসিং সক্ষমতা তৈরি হচ্ছে এবং 1০0-এর জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বারে উন্মেচিত হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে যে, ২০৩০ সাল নাগাদ ৩২.১ বিলিয়ন ডিভাইসে ইন্টারনেট অব থিংস্‌ AYE হবে যা ২০২৩ সালে ১৫.৯ বিলিয়ন ছিল।
loT এমন একটি নেটওয়ার্ক যা বিভিন্ন ডিভাইসকে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য সংযুন্ত করে মানুষকে বিভিন্ন কাজে সাহায্য করতে পারে। এটা হলো মূলত নেটওয়ার্ক, প্রোগ্রাম, সেসর আর মেশিনের সমন্বয়ে গঠিত একটি সিস্টেম, যেটা দিয়ে ডিভাইসগুলো একে অপরের সঙ্জে যোগাযোগ করতে পারে এবং ডেটা বিনিময় করতে পারে। প্রচলিত ইন্টারনেট মানুষকে কেন্দ্র করে বিকাশ লাভ করেছে যাকে মনুষ্যকেন্দ্রিক ইন্টারনেটও বলা হয়। আর বর্তমানে ইন্টারনেট শুধুমাত্র মানুষ নয়, বস্তুজগৎকেও সংযুন্ত করছে।
উদাহরণ হিসেবে স্মার্ট ফ্রিজের কথা বলা যেতে পারে। আইওটি প্রযুস্তি বাস্তবায়ন করা গেলে স্মার্ট ফিজ হবে এমন একটি যন্ত্র, যানিজ থেকেই ভেতরে প্রয়োজনীয় খাদ্য আছে কিনা তা শনান্ত করতে সক্ষম হবে। এক্ষেত্রে ফিজের ভেতরে ক্যামেরা স্থাপন করা হবে, যা ফিজের ভেতরের অবস্থা পরিদর্শন করে ব্যবহারকারীকে টেক্সটে বা এসএমএসের মাধ্যমে সামগ্রিক অবস্থা জানাবে। প্রয়োজনে ব্যবহারকারীর পক্ষে সুপার মার্কেটে অর্ডার প্লেস করতে পারবে।
পরিবেশ সুরক্ষা থেকে শুরু করে কৃষিক্ষেত্র পর্যন্ত সবকিছুতে ইন্টারনেট অব থিংস প্রভাব বিস্তার করছে। কৃষি ক্ষেত্রে কখন কোন সময়ে, কোন ধরনের ভূমিতে কোন ফসল চাষ করা উচিত, কোন ধরনের সার ব্যবহার করা উচিত, সার ব্যবহারের নিয়মাবলি, পোকামাকড় দমনে কীটনাশক ব্যবহারসহ পোকামাকড়ের ট্র্যাপ বা ফাঁদ সৃষ্টি করে তা নিয়ন্ত্রণ করা, ব্রিজের টোল আদায় থেকে শুরু করে ব্রিজের রক্ষণাবেক্ষণের কাজ পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা, চিকিৎসা সেবায় ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে রোগীদের জন্য কখন কোন ওষুধ দরকার তাও বলে দিতে পারে ইন্টারনেট অব থিংস ডিভাইস।