অধ্যায় ১: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত — ১.৬.২ অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশে প্রচলিত ই-সেবাসমূহ:

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি · HSC | টেক্সটবুক

Practiceটেক্সটবুক ভিত্তিক পড়াশোনা

🔗 ৩৩. ১.৬.২ অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশে প্রচলিত ই-সেবাসমূহ:

https://bdacademic.com/prep/hsc/text/ict/%E0%A6%85%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A7%A7-%E0%A6%A4%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%93-%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC-%E0%A6%93-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%A4/%E0%A7%A7%E0%A7%AC%E0%A7%A8-%E0%A6%85%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%A8%E0%A7%88%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%9A%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%87-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%82%E0%A6%B9/

ই-ব্যাংকিং: ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং বা ই-ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ব্যাংকগুলো বর্তমানে অনলাইনে ও এটিএম বুথের মাধ্যমে দিনরাত ২৪ ঘন্টা ব্যাংকিং সেবা দিতে পারছে। ফলে বিদেশ থেকে রেমিটেন্স পাঠানো অনেক সহজ ও দ্রুততর হয়েছে।
ই-কমার্স: ই-কমার্স হচ্ছে অনলাইন যোগাযোগ ব্যবস্থার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। বিভিন্ন আপস ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ঘরে বা যেকোনো জায়গায় বসে বিভিন্ন পণ্য ক্রয়-বিক্রয় থেকে শুরু করে নানা ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে। পণ্য কেনাবেচা ও আর্থিক লেনদেনসহ সব কার্যক্রম ইলেকট্রনিক প্রক্রিয়ায় করা সম্ভব | এভাবে অর্থনৈতিক লেনদেন ও বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায় উদ্যোগের পথ সুগম হচ্ছে। BPR: ই-কৃষির মাধ্যমে কৃষি বিষয়ে তথ্য, গবেষণা ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে প্রযুক্তি বিশেষ ভূমিকা রাখছে। আবহাওয়া, ফসল বপন ও পরিচর্যা, সার ও কীটনাশক প্রয়োগের তথ্য, রোগবালাই দমন ইত্যাদি কৃষিতথ্য অনলাইনের মাধ্যমে বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে কৃষকগণ জানতে পারছেন। ফলে PAGS সম্পর্কে কৃষকগণ সচেতন হচ্ছেন, যা উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সহায়তা করছে।
ই-গভর্নেন্স: সরকারি কার্যক্রমে ও প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল পদ্ধতির প্রয়োগই হচ্ছে ই-গভর্নেন্স। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে নাগরিকগণ সহজে, দ্রুততম সময়ে এবং স্বল্পব্যয়ে ২৪ ঘন্টা সরকারি সেবা পেতে পারেন। ই-গভর্নেন্সের বাস্তবায়ন প্রাতিষ্ঠানিক সকল কর্মকাণ্ডকে স্বচ্ছ করে, ফলে জনগণের নিকট সরকারের জবাবদিহিতা বাড়ায়, যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত oF QA |
ই-পর্চা সেবা: অনলাইন হতে জমি সংক্রান্ত তথ্য, জমির রেকর্ডের অনুলিপি সংগ্রহ করার সিস্টেমই হলো ই-পর্চা। আগে জমি বা ভূমি সংক্রান্ত যেকোনো ধরনের তথ্য জমির রেজিস্ট্রি অফিস থেকে সংগ্রহ করতে হতো, যা সময়সাপেক্ষ এবং তুলনামূলক ব্যয়বহুল ছিল | এই গতানুগতিক পদ্ধতি আর ভোগান্তি কমানোর জন্য বর্তমানে চালু হয়েছে ই-পর্চা সেবা। ফলে দেশের সকল জমির রেকর্ডের অনুলিপি অনলাইন হতে স্বল্পব্যয়ে সংগ্রহ করা যায়। ১.৬.৩ বাংলাদেশের উন্নয়নে আইসিটি
বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলাদেশ এখন “উদীয়মান নক্ষত্র' হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বাংলাদেশকে উন্নয়নের সূচকে
আলোচিত একটি বিষয় হলো চতুর্থ শিল্পবিপ্লব। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, রোরোটিক্স, ইন্টারনেট অব থিংস, বিপ্লব | চতুর্থ শিল্পবিপ্লবকে ফলপ্রসূ করতে আইসিটির কোনো বিকল্প নেই। চতুর্থ শিল্পবিগ্রবের অগ্রগতির সাথে একাত্ম হতে বিভিন্ন উদ্যোগ আর প্রচেষ্টার মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
মেইড ইন বাংলাদেশ: আমদানি কমিয়ে দেশীয় পণ্যের ব্যবহার বাড়াতে গাজীপুরের চন্দ্রায় হাইটেক ও মাইক্রোটেক ইন্ডাস্ট্রিজ পার্কে চালু হয়েছে দেশের প্রথম কম্পিউটার উৎপাদন কারখানা | ইতোমধ্যে এই কারখানায় তৈরি
ল্যাপটপ মেইড ইন বাংলাদেশ ট্যাগ যুক্ত হয়ে আফ্রিকায় রপ্তানিও শুরু হয়ে গেছে। সম্প্রতি ডিজিটাল ডিভাইস WHS ইনোভেশন এক্সপোতে দেশে তৈরি রোবট ও স্টার্টআপগুলো তাদের উত্তাবন প্রদর্শন করে |
জাতীয় ডেটা সেন্টার: বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের অধীনে ফোর টায়ার জাতীয় ডেটা সেন্টারটির সক্ষমতা বৃদ্ধি করে সেন্টারটির ওয়েবহোস্টিং ক্ষমতা ৭৫০ টেরাবাইটে উন্নীত করা হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তিতে উচ্চতর প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ জনবল তৈরির জন্য বিসিসির এলআইসিটি প্রকল্পের আওতায় একটি বিশেষায়িত ল্যাব এবং একটি সেপশাল সাউন্ড ইফেক্ট ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়াও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে বিশেষায়িত ল্যাব
পার্ক কালিয়াকৈর এর অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। অপরদিকে বিপুল সংখ্যক কর্মীর কর্মসংহ্থানের হাতছানি দিচ্ছে যশোরে গড়ে ওঠা যশোর সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক। সিলেট ইলেকট্রনিক সিটি, রাজশাহীতে বরেন্দ্র সিলিকন সিটি, নাটোরে আইটি ট্রেনিং Ope ইনকিউবেশন সেন্টার, চট্টগ্রামে চুয়েট আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর স্থাপন কার্যক্রমসহ আইটি শিল্পসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
স্টার্টআপ কালচার: বাংলাদেশে প্রযুক্তিখাতের নতুন ব্যবসা উদ্যোগ বা স্টার্ট আপের সম্ভাবনা বিপুল। ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্টার্টআপ চালু হয়েছে। স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড নামে সম্পূর্ণ সরকারি মালিকানাধীন একটি সরকারি CBs ক্যাপিটাল কোম্পানির নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ। ইতোমধ্যে শতাধিক স্টার্টআপ কোম্পানিকে অনুদানও দেওয়া হয়েছে।

ক্যাশলেস বাংলাদেশ: ক্যাশলেস বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বাংলাদেশ ব্যাংক QR কোড ভিত্তিক দ্রুতগতির সর্বজনীন পেমেন্ট সিস্টেম চালু করেছে। এ ক্যাশলেস লেনদেনব্যবস্থা ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অতি গুরুতপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। QR কোড কেবল একটি প্রিন্টেড ছবি হওয়ায় এই পরিশোধ ব্যবস্থায় মার্চেন্টের অংশগ্রহণে খরচ নেইসচেতন ও সুচারুভাবে ক্যাশলেস লেনদেন সিস্টেম চালু হলে দেশের AAAS উন্নয়ন আরও তরান্বিত হবে

অবকাঠামোগত উন্নয়ন: অবকাঠামো উন্নয়নে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ সারা দেশের উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত কানেকটিভিটি স্থাপনের জন্য বাংলাগভর্নেট ও ইনফো সরকার-২ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। ফলে সরকারের মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এবং জেলা ও উপজেলার সরকারি অফিসসমূহ ডিজিটাল ল্যাব, ত্যাগ্িকালচার ইনফরমেশন OTS কমিউনিকেশন সেন্টার (এআইসিসি) ও টেলিমেডিসিন সেন্টারসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট কক্ষ ও যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হয়েছে।
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ১. বিশ্বগ্রামের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনটি? ক. তথ্য খ. সফটওয়্যার গ. হার্ডওয়্যার ঘ. কানেক্টিভিটি ২. DNA এর নতুন সিকুয়েন্স তৈরিতে কোনটি ব্যবহৃত হয়? ক. জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং খ. ন্যানো টেকনোলজি গ. বায়োইনফরমেটিক্স ঘ. বায়োম্যাট্রিক্স ক. একমাত্রিক খ. দ্বি-মাত্রিক গ. ত্রি-মাত্রিক ঘ. বহুমাত্রিক ক. প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে খ. মানুষের বিকল্প হিসাবে বিপজ্জনক কাজে গ. মানুষের কর্মক্ষেত্র বৃদ্ধি করতে ঘ. স্বাধীনভাবে জটিল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে ৫. টেলি প্রেজেন্স এর প্রয়োগ ক্ষেত্র কোনটি? ক. ক্রায়োসার্জারি খ. বায়োম্যাত্রিক্স গ. আটিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্ট ঘ. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ৬. বায়োম্যাট্রিক্স পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়- 11. শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নির্ণয় করতে 111.অপরাধ প্রবণতা শনাক্তকরণে নিচের কোনটি ঠিক? ক.) ও] 2.18 111 গ. 1 ও ili ঘ. ১1) ও lili
নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং ৭ ও ৮ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও:
চার বন্ধু চারটি ভিন্ন ভিন্ন কোম্পানিতে কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। এদের অফিসের প্রবেশ পথে কাউকে হাতের আঙুল, কাউকে সম্পূর্ণ হাত একটি যন্ত্রের ওপর রেখে অফিসে ঢুকতে হয়। কাউকে একটি ক্যামেরার সামনে চোখ স্থির করে দীড়াতে হয় কিংবা সম্পূর্ণ মুখমণ্ডলই ক্যামেরার সামনে কয়েক মুহূর্ত রাখতে হয়। এদের প্রত্যেকের দাবি, অফিসের উপস্থিতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে স্ব-স্ব অফিসে ব্যবহৃত পদ্ধতি অধিক কার্যকর।
৭. উদ্দীপকে অফিসের প্রবেশ পথে কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে?
ক. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি খ. বায়োম্যাত্রিক্স গ. বায়োইনফরমেটিক্স ঘ. ন্যানোটেকনোলজি ৮. উদ্দীপকে ব্যবহৃত প্রযুক্তিগুলোর মধ্যে বেশি নির্ভুলভাবে কাজ করে কোনটি? ক. ফিঞারপ্রিন্ট খ. হ্যান্ড জিওমেট্রি গ. আইরিশ ও রেটিনা স্ক্যান ঘ. ফেস রিকগনিশন
নিচের উদ্দীপকের আলোকে ৯ ও ১০ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: উচ্চ ফলনশীল ধান গবেষণায় নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করায় দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। বাংলাদেশ বর্তমানে চাল রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করছে।
৯. উদ্দীপকের নতুন প্রযুক্তি কোনটি? ক. জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং খ. বায়োইনফরমেটিক্স গ. বায়োম্যাট্রিক্স ঘ. ন্যানোটেকনোলজি
১০. উদ্দীপকের কর্মকাডে_ 11. অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটবে 111. জীববৈচিত্র্ের সৃষ্টি হবে
নিচের কোনটি ঠিক? ক.) ও | খ. 1 iii গ. ii ও iii aL ii ও iii
নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং ১১ ও ১২ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও: প্রযুক্তির এই যুগে শওকত এক বিশেষ ব্যবস্থাপনায় ঘরে বসেই ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ নিচ্ছে! আবার তার বাবা অন্য একটি প্রযুক্তি ব্যবহার করে উন্নত জাতের ফুল চাষ করছেন।
১১. শওকতের ব্যবহৃত প্রযুক্তিটি- ক. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি খ. ই-লার্নিং গ. ই-কমার্স ঘ. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ১২. উদ্দীপকে শওকতের বাবার ব্যবহৃত প্রযুক্তিটির সীমাবদ্ধতা হলো এর ফলে — i. দেশীয় প্রজাতির বিলুপ্তি হতে পারে 11. ফলন কমে যেতে পারে 111. নতুন রোগ সৃষ্টি হতে পারে নিচের কোনটি ঠিক? ক. 1 ও 11 4.1 ili গ. 1 ও iii ঘ. 111 ও iii