HSC ICT ১ম অধ্যায় অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর (পর্ব ৩) — বায়োমেট্রিক্স, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও নৈতিকতা

প্রথম দুই পর্বে ছিল বিশ্বগ্রাম, ফ্রিল্যান্সিং, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর ন্যানোসার্জারি সংক্রান্ত প্রশ্ন। এই শেষ পর্বে বায়োমেট্রিক্স, বায়োইনফরমেটিক্স, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, ন্যানো টেকনোলজি আর নৈতিকতা সংক্রান্ত প্রশ্নগুলো — এখানেই এই অধ্যায়ের অনুধাবনমূলক অংশ সম্পূর্ণ হচ্ছে।

ব্যক্তি শনাক্তকরণের প্রযুক্তিটি ব্যাখ্যা করো

ব্যক্তি শনাক্তকরণের প্রযুক্তিটি হলো বায়োমেট্রিক্স — কোনো ব্যক্তির গঠনগত ও আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত করার প্রযুক্তি। একটা বায়োমেট্রিক ডিভাইস ব্যক্তির বৈশিষ্ট্য ইনপুট নিয়ে ডিজিটাল কোডে রূপান্তর করে, আর সেই কোডকে আগে থেকে সংরক্ষিত কোডের সাথে তুলনা করে। মিলে গেলে সেই ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয় বা ডিভাইস ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়। এই প্রযুক্তি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে উপস্থিতি নির্ণয়, প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ, পাসপোর্ট-ব্যাংকিংয়ে ব্যবহৃত হয়।

বায়োমেট্রিক্স কি শুধুই আচরণগত বৈশিষ্ট্য নির্ভর প্রযুক্তি?

পুরোপুরি নয় — এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য। বায়োমেট্রিক্সে শনাক্তকরণের জন্য দুই ধরনের বৈশিষ্ট্য ব্যবহার হয়। গঠনগত বৈশিষ্ট্য — যেমন ফিঙ্গারপ্রিন্ট, আইরিস ও রেটিনা স্ক্যান, ফেইস রিকগনিশন, হ্যান্ড জিওমেট্রি, DNA — এগুলো শরীরের স্থায়ী, ভৌত গঠনের উপর নির্ভর করে। আচরণগত বৈশিষ্ট্য — যেমন ভয়েস রিকগনিশন, সিগনেচার ভেরিফিকেশন, টাইপিং কীস্ট্রোক — এগুলো নির্ভর করে ব্যক্তি কীভাবে কিছু করে তার উপর।

তাই বায়োমেট্রিক্সকে শুধু আচরণগত বৈশিষ্ট্য নির্ভর প্রযুক্তি বলা ঠিক না — এটা গঠনগত আর আচরণগত, দুই ধরনের বৈশিষ্ট্যকেই ব্যবহার করে। ভয়েস রিকগনিশন বা সিগনেচার ভেরিফিকেশনের মতো নির্দিষ্ট পদ্ধতিগুলোকে বলা যায় বায়োমেট্রিক্সের আচরণগত শাখা।

বায়োমেট্রিক্স প্রযুক্তির সুবিধা ও অসুবিধা কী কী?

সুবিধার দিক থেকে, বায়োমেট্রিক্স শনাক্তকরণে খুব কম সময় লাগে, ফলাফলের সূক্ষ্মতা প্রায় শতভাগ, আর পাসওয়ার্ডের মতো ভুলে যাওয়া বা চুরি হওয়ার ঝুঁকি নেই — কারণ একজনের আঙুলের ছাপ বা আইরিস অন্য কেউ নকল করতে পারে না।

অসুবিধার দিকও আছে। আইরিস বা রেটিনা স্ক্যানের মতো পদ্ধতি বেশ ব্যয়বহুল আর বেশি মেমোরি প্রয়োজন হয়। ফিঙ্গারপ্রিন্টে আঙুলে কোনো প্রকার আস্তর লাগানো থাকলে শনাক্তকরণে সমস্যা হয়, আর ছোট শিশুদের জন্য এই পদ্ধতি সবসময় উপযুক্ত নয়, কারণ তাদের আঙুলের ছাপ দ্রুত বদলায়।

অফিসের নিরাপত্তার জন্য বায়োমেট্রিক্সের ব্যবহার সুবিধাজনক — ব্যাখ্যা করো

চাবি, আইডি কার্ড বা পাসওয়ার্ড হারানো, চুরি হওয়া বা অন্যের হাতে চলে যাওয়ার সুযোগ থাকে। কিন্তু ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেইস রিকগনিশনের মতো বায়োমেট্রিক বৈশিষ্ট্য প্রতিটা মানুষের নিজস্ব ও অপরিবর্তনীয় — এটা হারানো বা অন্য কারো সাথে শেয়ার করার সুযোগ নেই। তাই অফিসের প্রবেশদ্বার বা কর্মচারীদের উপস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বায়োমেট্রিক্স ব্যবহার করলে নিরাপত্তা অনেক বেশি নিশ্চিত হয়, আর একইসাথে উপস্থিতির রেকর্ডও নির্ভুলভাবে রাখা যায়।

বায়োইনফরমেটিক্সে ব্যবহৃত ডেটা কী?

বায়োইনফরমেটিক্স হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি, ইনফরমেশন থিওরি ও গাণিতিক জ্ঞান ব্যবহার করে জীববিজ্ঞান সংক্রান্ত ডেটা বিশ্লেষণের বিজ্ঞান। এখানে যে ডেটাগুলো ব্যবহৃত হয় তা হলো DNA সিকোয়েন্স, জিন, অ্যামিনো অ্যাসিড, আর নিউক্লিক অ্যাসিড — জীবের কোষ থেকে সংগৃহীত এই তথ্যগুলো ডেটাবেজে সংরক্ষণ করে পরবর্তীতে বিশ্লেষণ করা হয়, যাতে জীববৈজ্ঞানিক সমস্যার সমাধান বা নতুন টুলস তৈরি করা যায়।

বায়োইনফরমেটিক্সের সুবিধা ও অসুবিধা লেখো

সুবিধা হলো, এর মাধ্যমে জৈবিক প্রক্রিয়া সঠিকভাবে বোঝা যায়, ওষুধের গুণাগুণ উন্নত করা বা নতুন ওষুধ আবিষ্কারের প্রচেষ্টা সহজ হয়, আর রোগের কারণ হিসেবে জিনের ভূমিকা সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা যায়।

অসুবিধা হলো, এই বিশ্লেষণে জটিল যন্ত্রপাতি ও বিশেষজ্ঞ জনবল প্রয়োজন হয়, খরচও তুলনামূলক বেশি। আর পদ্ধতিগত কোনো ভুল থাকলে সেটা ভুল সিদ্ধান্তের দিকে নিয়ে যেতে পারে, যেহেতু এখানে অত্যন্ত সূক্ষ্ম ডেটা নিয়ে কাজ করা হয়।

জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং কৃষিক্ষেত্রে কী প্রভাব রাখে?

কোনো জীব থেকে নির্দিষ্ট জিনবাহী DNA খণ্ড আলাদা করে ভিন্ন একটা জীবে স্থানান্তরের কৌশলই জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং। কৃষিক্ষেত্রে এর সাহায্যে শস্যের গুণাগুণ মান বৃদ্ধি করা যায়, শস্য থেকে সম্পূর্ণ নতুন উপাদান উৎপাদন করা যায়, পরিবেশের বিভিন্ন হুমকি থেকে শস্যকে রক্ষা করা যায়, আর শস্যের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো যায়। যেমন একটা উচ্চফলনশীল কিন্তু কম মিষ্টি জাতের সাথে কম ফলনশীল কিন্তু বেশি মিষ্টি জাতের জিন মিশিয়ে নতুন উচ্চফলনশীল ও মিষ্টি জাত তৈরি করা সম্ভব। বাংলাদেশে এই প্রযুক্তি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় কৃষি খাতেই, আর এর মাধ্যমে উন্নত জাতের ধানসহ অনেক ট্রান্সজেনিক ফসল আবিষ্কৃত হয়েছে।

এই একই প্রযুক্তি ব্যবহার করেই পাটের জীবন রহস্য বা জিনগত গঠন উন্মোচিত হয়েছে — জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োইনফরমেটিক্সের সমন্বিত গবেষণার মাধ্যমে পাটের DNA সিকোয়েন্স নির্ণয় করে এর জিনগত বৈশিষ্ট্য জানা সম্ভব হয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরও উন্নত জাতের পাট তৈরির পথ খুলে দিয়েছে।

তথ্য প্রযুক্তির সাম্প্রতিক প্রবণতায় ডায়াবেটিস রোগীরা কীভাবে উপকৃত হচ্ছে?

রিকম্বিন্যান্ট DNA প্রযুক্তি — জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের একটা পদ্ধতি — সবচেয়ে সফলভাবে ইনসুলিন উৎপাদনে বিপ্লব এনেছে। আগে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় ইনসুলিন সংগ্রহ করা হতো শূকরের অগ্ন্যাশয় থেকে, শূকর হত্যা করে। এখন মানুষের ইনসুলিন-উৎপাদনকারী জিনটা এনজাইম দিয়ে কেটে ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়ার DNA-তে স্থাপন করা হয়, আর ল্যাবরেটরিতে এই ব্যাকটেরিয়ার বংশবিস্তার ঘটিয়ে কম খরচে অনেক বেশি ইনসুলিন উৎপাদন করা যায়। এভাবেই তথ্য ও জীবপ্রযুক্তির এই সমন্বয়ে ডায়াবেটিস রোগীরা সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী ইনসুলিন পাচ্ছে।

আণবিক পর্যায়ের গবেষণার প্রযুক্তিটি ব্যাখ্যা করো

আণবিক পর্যায়ের গবেষণার প্রযুক্তিটি হলো ন্যানো টেকনোলজি — পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরির জন্য ধাতব বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান। ন্যানো প্রযুক্তির সাহায্যে অতি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উপাদান দিয়ে কাঙ্ক্ষিত কোনো বস্তুকে এতটাই ছোট করে তৈরি করা যায় যে এর থেকে আর ছোট করা প্রায় অসম্ভব। এই প্রযুক্তি কম্পিউটার হার্ডওয়্যার, ন্যানো রোবট, ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রপাতি, ওষুধ তৈরিসহ বহু ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী তৈরিতে ব্যবহৃত প্রযুক্তি, আর কেন ন্যানো টেকনোলজি আধুনিক জীবনকে সাশ্রয়ী ও গতিশীল করেছে

এই প্রযুক্তিটিও ন্যানো টেকনোলজি। ন্যানো ট্রানজিস্টর, ন্যানো ডায়োড, প্লাজমা ডিসপ্লের মতো উপাদান ব্যবহারের ফলে ইলেকট্রনিক শিল্পে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে — যন্ত্রপাতির আকার ছোট, ওজনে হালকা, অথচ টেকসই হচ্ছে। ন্যানো প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি ব্যাটারি, ফুয়েল সেল, সোলার সেলের মাধ্যমে সৌরশক্তিকেও আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো যাচ্ছে।

যন্ত্রপাতি ছোট ও হালকা হওয়ার অর্থ কম কাঁচামাল আর কম বিদ্যুৎ খরচে বেশি কাজ করা সম্ভব হচ্ছে, আবার আকারে ছোট হওয়ায় প্রক্রিয়াও দ্রুততর হচ্ছে। এই দুটো মিলিয়েই ন্যানো টেকনোলজি আধুনিক জীবনযাত্রাকে একইসাথে সাশ্রয়ী ও গতিশীল করে তুলেছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের নৈতিকতা ব্যাখ্যা করো

নৈতিকতা হলো মানুষের কাজকর্ম ও আচার-ব্যবহারের এমন একটা মূলনীতি, যার উপর ভিত্তি করে একটা কাজের ভালো বা মন্দ দিক বিচার করা যায়। তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে নৈতিকতা মানে — প্রতিষ্ঠানের গোপনীয় তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা, কোনো তথ্যের ভুল উপস্থাপন না করা, অনুমতি ছাড়া প্রতিষ্ঠানের সম্পদ ব্যবহার না করা, অফিসের সময় অযথা নষ্ট না করা, ইন্টারনেটে অন্যের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন না করা, আর ভাইরাস ছড়ানো বা স্প্যামিংয়ের মতো কাজ প্রতিহত করা।

তথ্য প্রযুক্তির ইতিবাচক প্রভাবের পাশাপাশি এর নেতিবাচক প্রভাবও ব্যাপকভাবে দেখা দিয়েছে — হ্যাকিং, স্প্যামিং, সাইবারক্রাইমের মতো অপরাধ, যা এই নৈতিকতারই বিরোধী। ইন্টারনেট সহজলভ্য হওয়ায় বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের বিপথগামী হওয়ার প্রবণতা বাড়ছে, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নষ্ট হচ্ছে — এই কারণেই বলা যায়, তথ্য প্রযুক্তিতে সামাজিক অবক্ষয়ের একটা বাস্তব ঝুঁকি রয়েছে, যদি ব্যবহারকারীরা নৈতিকতা মেনে না চলে।

“হ্যাকিং নৈতিকতা-বিরোধী কর্মকাণ্ড” — ব্যাখ্যা করো

হ্যাকিং মানে বৈধ অনুমতি ছাড়া কারো কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করা, প্রায়ই ফাইল চুরি বা ডেটা বিকৃতির মতো ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে। যেহেতু অনুমতি ছাড়া অন্যের সিস্টেমে প্রবেশ করা আর তার তথ্যের ক্ষতি করা — দুটোই সরাসরি অন্যের অধিকার আর গোপনীয়তা লঙ্ঘন করে, আর এটা তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মূল নৈতিক নীতির (অন্যের ক্ষতি না করা, অনুমতি ছাড়া প্রবেশ না করা) সরাসরি বিপরীত, তাই হ্যাকিংকে নৈতিকতা-বিরোধী কর্মকাণ্ড বলা হয়।

“সাইবার ক্রাইম” প্রযুক্তির জন্য হুমকি — ব্যাখ্যা করো

ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে যেসব কম্পিউটার অপরাধ সংঘটিত হয় — হ্যাকিং, স্প্যামিং, স্পুফিং, ফিশিং, ভিশিং — এগুলোকেই একসাথে সাইবার ক্রাইম বলা হয়। তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার যত বেড়েছে, এই অপরাধগুলোও ততই বেড়েছে, আর এগুলো মানুষের তথ্যের নিরাপত্তা, আর্থিক নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার জন্য সরাসরি হুমকি তৈরি করছে।

বিশ্বগ্রাম বা প্রযুক্তিনির্ভর যেকোনো সেবা (ব্যাংকিং, যোগাযোগ, তথ্য আদান-প্রদান) মূলত দাঁড়িয়ে আছে মানুষের এই ব্যবস্থার প্রতি আস্থার উপর। সাইবার ক্রাইম বেড়ে গেলে সেই আস্থাটাই নষ্ট হয়ে যায় — মানুষ প্রযুক্তি ব্যবহারে দ্বিধায় পড়ে। এই কারণেই সাইবার ক্রাইমকে শুধু একটা বিচ্ছিন্ন অপরাধ না ভেবে, পুরো তথ্য প্রযুক্তির অগ্রগতির জন্যই একটা বাস্তব হুমকি হিসেবে দেখা হয়।

HSC — আরও নোট

5 SepHSC সিলেবাস — বিজ্ঞান বিভাগ: কোন সিলেবাস কার জন্য, বিষয় ও পত্র তালিকাসহ4 SepHSC Composition লেখার নিয়ম — পরিকল্পনা, কাঠামো ও নমুনা3 SepHSC পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র বই PDF ডাউনলোড — অধ্যায় তালিকা ও প্রস্তুতির ক্রম2 SepHSC পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র বই PDF ডাউনলোড — অধ্যায় তালিকা ও পড়ার পদ্ধতি2 SepHSC রসায়ন ২য় পত্র বই PDF ডাউনলোড — অধ্যায় তালিকা ও প্রস্তুতির পরিকল্পনা

ICT — একই বিষয়ের নোট

31 AugHSC ICT ১ম অধ্যায় অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর (পর্ব ২) — ভার্চুয়াল রিয়েলিটি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ন্যানোসার্জারি30 AugHSC ICT ১ম অধ্যায় অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর (পর্ব ১) — বিশ্বগ্রাম, ফ্রিল্যান্সিং ও টেলিমেডিসিন30 AugHSC ICT ১ম অধ্যায় জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর — বিশ্বগ্রাম ও তথ্য প্রযুক্তি29 AugHSC ICT বই PDF ডাউনলোড — বাংলা ও ইংলিশ ভার্সন27 AugDakhil ষষ্ঠ শ্রেণির ICT বই PDF ডাউনলোড

Leave a Reply

Discover more from BDAcademic

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading